Home CoronaVirus রাত পোহাতেই চাঞ্চল্যকর তথ্য , মানিকচকের নারী দিয়ারা নতুনটোলায় ১০০ টি পরিবার সংকটে

রাত পোহাতেই চাঞ্চল্যকর তথ্য , মানিকচকের নারী দিয়ারা নতুনটোলায় ১০০ টি পরিবার সংকটে

0 second read
0
12,465
ভিন রাজ্য ফেরত শ্রমিকের দেহে করোনা ভাইরাসের সন্ধান মেলায় এলাকার প্রায় ১০০ টি পরিবার সংকটের মুখে পড়েছেন

মালদহ নিউজ ডেস্ক : মালদহের মানিকচকের চৌকি মিরদাদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নারী দিয়ারা গ্রামের নতুন টোলায় এখন আতঙ্কের বাতাবরণ । ভিন রাজ্য ফেরত শ্রমিকের দেহে করোনা ভাইরাসের সন্ধান মেলায় এলাকার প্রায় ১০০ টি পরিবার সংকটের মুখে পড়েছেন। বাইরে থেকে এসে ওই শ্রমিক বাড়িতে আধ এক ঘন্টা নয় পুরো ৪ ঘন্টা পরিবারের সাথে কাটিয়েছেন । রাত পোহাতে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। তার সাথে আরও তিন শ্রমিক একই গ্রামে নিজেদের বাড়িতে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে । গ্রামে তাদের আসার উপস্থিতির খবর পেয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উদ্যোগী হয়ে রাত আটটা নাগাদ টোটোতে করে সরকারি ইনস্টিটিউশনাল কোয়ারান্টিনে পাঠানো হয় তাদের ।

ওই শ্রমিক গত কয়েকদিন ধরে মানিকচক কলেজের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ারান্টিনে ছিলেন
ওই শ্রমিক গত কয়েকদিন ধরে মানিকচক কলেজের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ারান্টিনে ছিলেন

তবে তার আগে ওই পরিবারের লোকজনসহ শিশুরা ঘনিষ্টভাবে মিশেছে। তাতে ওই শ্রমিকের পরিবারের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশীদের সংক্রমণ ছড়িয়ে যেতে পারে বলে অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন । কেননা গত কয়েকদিন ধরে ওই পরিবার এলাকার দোকানপাট মাঠে-ঘাটে সকলের সাথে মিশেছেন বলে অভিযোগ ।এতে পুরো গ্রামটাই সংক্রমণের আওতায় চলে আসতে পারে । করোনার হদিস মিলছে ঐ পরিবার কার্যত একঘরে হয়ে গিয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা রয়েছে । শ্রমিকের পরিবারের সাথে প্রতিবেশীদের ঝগড়া বিকেল থেকেই লেগে আছে । শ্রমিকের পরিবার ও আতংকের মধ্যে রয়েছেন । রাত থেকে মাত্র দুইজন সিভিক ভলেন্টিয়ার গ্রাম পাহারা দিচ্ছেন বলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন। যদিও এখনও পর্যন্ত প্রশাসন থেকে এলাকা জীবাণুমুক্ত করার কোনও তৎপরতা নেয়নি বলে অভিযোগ । গোটা গ্রাম থমথমে রয়েছে । ভাইরাসের হদিস মেলার পর থেকেই নতুন টোলায় গ্রামের বাইরে কেউ যাচ্ছেন না ।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বক্তব্য, গণহারে এখানে সংক্রমণ ছড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে । ১০০ টি পরিবার সংকটের মধ্যে পড়তে পারে। প্রশাসনের তরফে জীবাণুমুক্ত করা কোনও প্রয়াস নেই । এলাকার নাম প্রকাশে অনুচ্ছুক এক বাসিন্দা বলেন, যে শ্রমিকের দেহে ভাইরাস মিলেছে তার পরিবার এলাকার সকলের সাথে মিশেছে। তাতে আমরা আতঙ্কিত এখানে প্রত্যেক গ্রামবাসীর লালা রস সংগ্রহ করে টেস্ট করা হোক । স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য অভিরাম মন্ডল বলেন,গোটা গ্রাম থমথমে রয়েছে। যে শ্রমিকের দেহে ভাইরাস মিলেছে তার পরিবার থেকে সংক্রমণ ছড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আমরা করেছি । কেননা ওই শ্রমিক প্রায় ৪ ঘন্টা বাড়িতে ছিলেন। এ নিয়ে প্রশাসনিক ভাবে স্টেপ নেওয়া প্রয়োজন । সকাল থেকে অনেক গ্রামবাসী ফোন করে এলাকা জীবানুমুক্ত করার দাবি তুলেছেন। — প্রেস এজেন্সি

Load More Related Articles
Load More By Press Agency
Load More In CoronaVirus

Leave a Reply

Check Also

শিক্ষার টানে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই বাড়ির দুয়ারে অভিভাবক ছাত্রদের খোঁজখবর রাখেন সুশান্তবাবু

মালদহ নিউজ ডেস্ক: সুশান্ত চৌধুরী । পুরাতন মালদহের রামচন্দ্রপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান…