Home জেলার খবর জুতো সেলাই বন্ধ, অনাহারে কনুয়া হাই স্কুলের ফার্স্ট বয়

জুতো সেলাই বন্ধ, অনাহারে কনুয়া হাই স্কুলের ফার্স্ট বয়

0 second read
2
1,035
জুতো সেলাই বন্ধ, অনাহারে কনুয়া হাই স্কুলের ফার্স্ট বয়

মালদহ নিউজ ডেস্ক: জুতো সেলাই করে উচ্চশিক্ষার বৈতরণী পার করতে চাইছে সঞ্জয় । জীবনের বড় পরীক্ষা দিয়ে স্বপ্নের উড়ান ভরার মাঝে থমকে গিয়েছে উচ্চমাধ্যমিকের পরীক্ষা। তার সাথে ভাগ্যের চাকাও। লকডাউনের কারনে বেঁচে থাকার শেষ রসদ ও ফুরিয়ে গিয়েছে। জীবন থাকলেও কোনমতে টিকে থাকা । প্রায় ২০ দিন ধরে কার্যত অনাহারে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের কনুয়া হাই স্কুলের ফার্স্ট বয়। ছোটবেলায় বাবা মারা গিয়েছে। মাকে সাথে নিয়ে বড় হওয়া তার সাথে কনুয়া বাজারের মোড়ে অস্থায়ীভাবে জুতো সেলাই করে পড়াশোনার সাথে জীবনের সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছিল অভাবী মেধাবী । তার অদম্য জেদই মাধ্যমিকে সাফল্য পেয়েছিল ওই ছাত্র । কিন্তু করোনার আবহে সংসার চালানোর কোনও উপায় নেই । মা ও লকডাউনে কাজ পাইনি । যে কারণে ঘোর সংকটে ওই পরিবার। এই পরিস্থিতিতে তার পাশে দাঁড়ানোর জন্য আর্জি জানিয়েছে ওই পড়ুয়া ।

প্রায় ২০ দিন ধরে কার্যত অনাহারে  হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের কনুয়া হাই স্কুলের ফার্স্ট বয়
প্রায় ২০ দিন ধরে কার্যত অনাহারে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের কনুয়া হাই স্কুলের ফার্স্ট বয়

কনুয়া হাই স্কুলের এক শিক্ষক জানিয়েছেন, ওই ছাত্র একাই সংসার চালায় । আমাদের বিদ্যালয়ের সে মেধাবী ছাত্র হিসেবে পরিচিত । তাদের আর্থিক অবস্থা ভালো নেই । লকডাউন পরিস্থিতিতে কাজকর্ম না থাকায় ওই ছাত্রের পরিবার সংকটজনক পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে । এই মুহূর্তে তাদের পাশে প্রশাসনিকভাবে দাঁড়ানো প্রয়োজন । আমরাও তার পাশে দাঁড়াবার চেষ্টা করব। এ বিষয়ে সঞ্জয় রবিদাস জানিয়েছে, পরিবারের উপার্জন করার মতো একমাত্র আমি রয়েছি । তবে লকডাউন পরিস্থিতিতে পড়ে আর কাজ করতে পারছি না। ভেবেছিলাম লকডাউন উঠে গেলে কাজকর্ম স্বাভাবিক হবে। মা ও কাজ পাচ্ছে না। কি ভাবে দিন যাবে ভেবে কুল করতে পারছি না। ওই ছাত্রের মা কল্যাণী দেবী জানিয়েছেন, ছেলে এবারের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ।

বাজারের মোড়ে জুতো সেলাই করে ও সংসার চালায়। আমি কোনও মত জমিতে নিড়ানির কাজ করি। এখন কেউ কাজে নিচ্ছে না । সংসারের অনটনে ছেলেও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের কনুয়া বাজারের মোড়ে অস্থায়ীভাবে জুতো সেলাইয়ের কাজ করে সঞ্জয় রবিদাস। ২০১৮ সালে স্কুলের নজর কেড়েছিল সন্জয় ।উচ্চমাধ্যমিক টেস্ট ও প্রথম হয় ওই ছাত্র। এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে সে। ২০০৩ সালে তার বাবা মারা যান। মা কল্যাণী রবিদাস কোনও মতো শিক্ষার আলোতে রেখেছেন। ছোট থেকেই জুতো সেলাই করে ওই ছাত্রটি। তাতে পরিবারের সংসার চলত। কিন্তু লকডাউনের কারনে চরম বিপাকে পড়েছে ওই ফার্স্ট বয়। —– প্রেস এজেন্সি ।

Load More Related Articles
Load More By Press Agency
Load More In জেলার খবর

Leave a Reply

Check Also

Press agency it cell. certified videography agency

Deliver the message of your organization through the agency IT cell. We have brought new p…